ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জকিগঞ্জ বাজার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মাহে রামাদ্বান উপলক্ষে জেডএসসি ক্বিরাত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা সিজন-৬ শুরু মুফতি আবুল হাসান: ‘আমার কোনো পাতিনেতা থাকবে না’ জকিগঞ্জে বিআরটিসি বাস ইস্যু: কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে জকিগঞ্জের তরুণ-তরুণীদের পদায়ন সিলেট ০৫ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সিলেট জেলার (সিনিয়র সহ-মুখপাত্র) প্রতিহিংসা পরিহার করে নির্বাচনকে উৎসব মুখর করার আহবান – ছাত্রদলের সদস্য সচিবের শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার জকিগঞ্জে আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার: পরিচয় মিলেছে সুনামগঞ্জের লন্ডনপ্রবাসী বুরহান উদ্দিন শফি জকিগঞ্জের কৃতী সন্তান এ.জি.এম প্রিন্স সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজসহ দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে উজ্জ্বল সাফল্য!

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিরূপ নদীভাঙন

  • জনতা টিভি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ আজকের প্রবাহ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নদীভাঙন বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলীয় নদীগুলোতে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কারণে নদীগুলোর তীর ভেঙে যাচ্ছে এবং এর ফলে হাজার হাজার মানুষ ভিটেমাটি হারাচ্ছে। গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের নদীগুলোতে বছরে প্রায় ৬০০ থেকে ৯০০ কিলোমিটার নদীতীর ভাঙন হচ্ছে। নদীভাঙনের ফলে প্রায় প্রতি বছর লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, ও ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদীর পানির প্রবাহ বেড়ে যায়, ফলে তীব্র স্রোত সৃষ্টি হয় যা নদীতীরের মাটি দুর্বল করে দেয়। এর ফলে নদীভাঙন আরও ত্বরান্বিত হয়। নদীভাঙনের ফলে শুধু বসতবাড়ি নয়, কৃষি জমি এবং রাস্তাঘাটও ধ্বংস হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকার বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যেমন নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প, বাঁধ নির্মাণ, এবং তীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা।

তবে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশল প্রয়োজন।

জান্নাতুন নাঈমা চাঁদনী

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জকিগঞ্জ বাজার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিরূপ নদীভাঙন

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নদীভাঙন বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলীয় নদীগুলোতে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কারণে নদীগুলোর তীর ভেঙে যাচ্ছে এবং এর ফলে হাজার হাজার মানুষ ভিটেমাটি হারাচ্ছে। গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের নদীগুলোতে বছরে প্রায় ৬০০ থেকে ৯০০ কিলোমিটার নদীতীর ভাঙন হচ্ছে। নদীভাঙনের ফলে প্রায় প্রতি বছর লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, ও ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদীর পানির প্রবাহ বেড়ে যায়, ফলে তীব্র স্রোত সৃষ্টি হয় যা নদীতীরের মাটি দুর্বল করে দেয়। এর ফলে নদীভাঙন আরও ত্বরান্বিত হয়। নদীভাঙনের ফলে শুধু বসতবাড়ি নয়, কৃষি জমি এবং রাস্তাঘাটও ধ্বংস হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকার বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যেমন নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প, বাঁধ নির্মাণ, এবং তীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা।

তবে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশল প্রয়োজন।

জান্নাতুন নাঈমা চাঁদনী