ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জকিগঞ্জ বাজার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মাহে রামাদ্বান উপলক্ষে জেডএসসি ক্বিরাত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা সিজন-৬ শুরু মুফতি আবুল হাসান: ‘আমার কোনো পাতিনেতা থাকবে না’ জকিগঞ্জে বিআরটিসি বাস ইস্যু: কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে জকিগঞ্জের তরুণ-তরুণীদের পদায়ন সিলেট ০৫ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সিলেট জেলার (সিনিয়র সহ-মুখপাত্র) প্রতিহিংসা পরিহার করে নির্বাচনকে উৎসব মুখর করার আহবান – ছাত্রদলের সদস্য সচিবের শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার জকিগঞ্জে আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার: পরিচয় মিলেছে সুনামগঞ্জের লন্ডনপ্রবাসী বুরহান উদ্দিন শফি জকিগঞ্জের কৃতী সন্তান এ.জি.এম প্রিন্স সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজসহ দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে উজ্জ্বল সাফল্য!

সাপে কামড় দিলে কৃষকের পাল্টা কামড়! বেঁচে গিয়ে বললেন— “আমি ভাগ্যবান, কিন্তু এটা খুবই বোকামি ছিল”

  • জনতা টিভি
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৩৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাতরস জেলায় ঘটে গেছে এক বিস্ময়কর ও বিরল ঘটনা। ধানক্ষেতে কাজ করার সময় এক কৃষককে সাপ কামড় দিলে তিনি নিজেই সাপটিকে ধরে উল্টো কামড়ে ফেলেন! অবশেষে সাপটি মারা গেলেও কৃষক প্রাণে বেঁচে যান।
ভারতে প্রতি বছর গড়ে ৪৬,০০০ মানুষ সাপের কামড়ে প্রাণ হারায়, এমন প্রেক্ষাপটে পুণিতের এই ঘটনা একদিকে যেমন অবাক করেছে, অন্যদিকে চিকিৎসকরা এটিকে “বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত” বলে সতর্ক করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৮ বছর বয়সী কৃষক পুণিত ৪ নভেম্বর নিজের ধানক্ষেতে কাজ করছিলেন। হঠাৎ একটি কালো কোবরা এসে তার পায়ে কামড় দেয়। ব্যথা ও রাগে তিনি তৎক্ষণাৎ সাপটিকে ধরে নিজের দাঁত দিয়ে কামড়ে ফেলেন।
স্থানীয়রা জানান, সাপটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়, তবে পুণিত অজ্ঞান হননি। দ্রুত তাকে হাতরস জেলা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে অ্যান্টি-ভেনম দিয়ে চিকিৎসা দেন।

চিকিৎসক ডা. শের সিং বলেন,

“সাপকে কামড়ানো অত্যন্ত বিপজ্জনক কাজ। যদি সাপের বিষ মুখ বা শরীরে প্রবেশ করত, পুণিত বাঁচতে পারতেন না। এমন কাজ কখনোই অনুকরণ করা উচিত নয়।”

পুণিতের চাচাতো ভাই অমন কুমার জানান,

“প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম সে মজা করছে। কিন্তু পরে মাঠে গিয়ে দেখি সাপটি সত্যিই মারা পড়ে আছে। এখন পুরো গ্রামজুড়ে এই ঘটনাই সবার মুখে মুখে।”

চিকিৎসকেরা আরও সতর্ক করে বলেন,

“সাপের কামড় কোনো সাহস দেখানোর বিষয় নয়, এটি জরুরি চিকিৎসার ব্যাপার।”

নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে পুণিত বলেন,

“আমি জানি না তখন কী ভেবেছিলাম। হয়তো রাগে বা ভয়ে করেছিলাম। এখন বুঝি এটা খুবই বোকামি ছিল। আমি ভাগ্যবান যে বেঁচে গেছি।”

ঘটনাটি এখন গোটা এলাকায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে— কারণ যেখানে সাপের কামড়ে মানুষ মারা যায়, সেখানে এক কৃষক নিজের সাহস ও রাগে সাপকেই কামড়ে মেরে বেঁচে গেলেন!

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জকিগঞ্জ বাজার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সাপে কামড় দিলে কৃষকের পাল্টা কামড়! বেঁচে গিয়ে বললেন— “আমি ভাগ্যবান, কিন্তু এটা খুবই বোকামি ছিল”

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাতরস জেলায় ঘটে গেছে এক বিস্ময়কর ও বিরল ঘটনা। ধানক্ষেতে কাজ করার সময় এক কৃষককে সাপ কামড় দিলে তিনি নিজেই সাপটিকে ধরে উল্টো কামড়ে ফেলেন! অবশেষে সাপটি মারা গেলেও কৃষক প্রাণে বেঁচে যান।
ভারতে প্রতি বছর গড়ে ৪৬,০০০ মানুষ সাপের কামড়ে প্রাণ হারায়, এমন প্রেক্ষাপটে পুণিতের এই ঘটনা একদিকে যেমন অবাক করেছে, অন্যদিকে চিকিৎসকরা এটিকে “বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত” বলে সতর্ক করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৮ বছর বয়সী কৃষক পুণিত ৪ নভেম্বর নিজের ধানক্ষেতে কাজ করছিলেন। হঠাৎ একটি কালো কোবরা এসে তার পায়ে কামড় দেয়। ব্যথা ও রাগে তিনি তৎক্ষণাৎ সাপটিকে ধরে নিজের দাঁত দিয়ে কামড়ে ফেলেন।
স্থানীয়রা জানান, সাপটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়, তবে পুণিত অজ্ঞান হননি। দ্রুত তাকে হাতরস জেলা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে অ্যান্টি-ভেনম দিয়ে চিকিৎসা দেন।

চিকিৎসক ডা. শের সিং বলেন,

“সাপকে কামড়ানো অত্যন্ত বিপজ্জনক কাজ। যদি সাপের বিষ মুখ বা শরীরে প্রবেশ করত, পুণিত বাঁচতে পারতেন না। এমন কাজ কখনোই অনুকরণ করা উচিত নয়।”

পুণিতের চাচাতো ভাই অমন কুমার জানান,

“প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম সে মজা করছে। কিন্তু পরে মাঠে গিয়ে দেখি সাপটি সত্যিই মারা পড়ে আছে। এখন পুরো গ্রামজুড়ে এই ঘটনাই সবার মুখে মুখে।”

চিকিৎসকেরা আরও সতর্ক করে বলেন,

“সাপের কামড় কোনো সাহস দেখানোর বিষয় নয়, এটি জরুরি চিকিৎসার ব্যাপার।”

নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে পুণিত বলেন,

“আমি জানি না তখন কী ভেবেছিলাম। হয়তো রাগে বা ভয়ে করেছিলাম। এখন বুঝি এটা খুবই বোকামি ছিল। আমি ভাগ্যবান যে বেঁচে গেছি।”

ঘটনাটি এখন গোটা এলাকায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে— কারণ যেখানে সাপের কামড়ে মানুষ মারা যায়, সেখানে এক কৃষক নিজের সাহস ও রাগে সাপকেই কামড়ে মেরে বেঁচে গেলেন!