ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জকিগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিদায় সংবর্ধনা জকিগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের রিজাল্ট শিট। বিরশ্রী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন আব্দুল জলিল আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা বলেন, বাংলাদেশ অঞ্চলে ভূমিকম্পের অন্যতম উৎস হলো- ডাউকি ফল্ট, যেটি শেরপুর থেকে শুরু জাফলং হয়ে ভারতের করিমগঞ্জ থেকে বিস্তৃত। জকিগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদে ‘নারিকেল গাছ’ মার্কায় তরুণ ব্যবসায়ী কে আই বুলবুলের প্রচারণায় প্রাণচাঞ্চল্য জকিগঞ্জ (সিলেট): জুলাইয়ের শহীদ শনাক্তে বিদেশি ফরেনসিক টিম; কাজ শুরু ৭ ডিসেম্বর: উপদেষ্টা আসিফ জকিগঞ্জে ২০ বোতল ভারতীয় মদসহ যুবক আটক!বারহাল কোনাগ্রামে অভিযান, নেতৃত্বে এসআই মুর্শেদ ও এএসআই রমজান আলী সংস্কারের অভাবে সরকারের এক্সিট ও নির্বাচন প্রক্রিয়া অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে: আখতার হোসেন সিলেট বিভাগের টপ ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা হিসাবে স্টার অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ পেলেন জকিগঞ্জের দুই তরুণ—জসিম ও মারজান ২০২৫-২০২৬ সনের উন্মুক্ত মাঠে সকল বিভাগীয় তাফসির মাহফিল স্থগিত ঘোষণা করলেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী

বাংলাদেশের কাছে চীনের ২০টি জে-১০সি যুদ্ধবিমান বিক্রির প্রস্তাব।

  • জনতা টিভি
  • আপডেট সময় : ০২:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৫২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৭ অক্টোবর ২০২৫:বিমান বাহিনীর আধুনিকীকরণ ও জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের কাছে চীনের তৈরি ২০টি জে-১০ সিই মাল্টি-রোল ফাইটার জেট কেনার প্রস্তাব এসেছে। চুক্তি, প্রশিক্ষণ ও আনুষঙ্গিক খরচসহ প্রকল্পটির মোট মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ২২০ কোটি ডলার (প্রায় ২৭,০৬০ কোটি টাকা)। প্রকল্পটি ২০২৫-২৬ ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক নথিপত্র অনুযায়ী, জে-১০ সিই কেনার চুক্তিটি সরাসরি ক্রয় বা জি-টু-জি (Government to Government) পদ্ধতিতে চীনের সঙ্গে সম্পাদিত হতে পারে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১০ বছরের মধ্যে (২০৩৫-২০৩৬ অর্থবছর পর্যন্ত) পরিশোধের শর্তে পরিচালিত হবে।প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি যুদ্ধবিমানের মূল্য প্রাক্কলিত করা হয়েছে ৬ কোটি ডলার। ২০টি বিমানের মূল ক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ১২০ কোটি ডলার (প্রায় ১৪,৭৬০ কোটি টাকা)। স্থানীয় ও বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় ও পরিবহন বাবদ ৮২ কোটি ডলার (প্রায় ১০,৮৬০ কোটি টাকা) এবং বীমা, ভ্যাট, কমিশনসহ অন্যান্য খরচ যুক্ত হয়ে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ২২০ কোটি ডলার।চলতি বছরের মার্চে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন সফরে গেলে এ প্রস্তাব নিয়ে চীনা পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়। পরে, বিমানবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়, যারা চুক্তির খসড়া, জি-টু-জি পদ্ধতির উপযোগিতা, মূল্য ও পেমেন্ট শর্ত পর্যালোচনা করবে।চুক্তিতে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ, খুচরা যন্ত্রাংশ ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানা গেছে।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল এ. এন. এম. মনিরুজ্জামান (অব.) বলেন,> “বিমানবাহিনীর অনেকদিন ধরেই জঙ্গিবিমানের দাবি রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে সবার আগে প্রভাব বিশ্লেষণ করা জরুরি—বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের উত্তেজনার প্রেক্ষিতে।”তিনি আরও বলেন, “উপযুক্ত প্রয়োজন ও কৌশলগত বিবেচনার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।”সম্প্রতি পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সংঘর্ষে জে-১০সি যুদ্ধবিমান ব্যবহারের দাবি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। পাকিস্তান দাবি করে, তারা ভারতের রাফায়েল ফাইটার ধ্বংসে জে-১০সি ব্যবহার করেছে, যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বহরে ২১২টি বিমান, যার মধ্যে ৪৪টি ফাইটার জেট রয়েছে। এর মধ্যে ৩৬টি চীনা নির্মিত এফ–৭, ৮টি মিগ-২৯, এবং কিছু ইয়াক–১৩০ লাইট অ্যাটাক বিমান রয়েছে।নতুন জে-১০সি সিরিজের সংযোজন বিমান বাহিনীর আধুনিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জকিগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিদায় সংবর্ধনা

বাংলাদেশের কাছে চীনের ২০টি জে-১০সি যুদ্ধবিমান বিক্রির প্রস্তাব।

আপডেট সময় : ০২:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৭ অক্টোবর ২০২৫:বিমান বাহিনীর আধুনিকীকরণ ও জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের কাছে চীনের তৈরি ২০টি জে-১০ সিই মাল্টি-রোল ফাইটার জেট কেনার প্রস্তাব এসেছে। চুক্তি, প্রশিক্ষণ ও আনুষঙ্গিক খরচসহ প্রকল্পটির মোট মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ২২০ কোটি ডলার (প্রায় ২৭,০৬০ কোটি টাকা)। প্রকল্পটি ২০২৫-২৬ ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক নথিপত্র অনুযায়ী, জে-১০ সিই কেনার চুক্তিটি সরাসরি ক্রয় বা জি-টু-জি (Government to Government) পদ্ধতিতে চীনের সঙ্গে সম্পাদিত হতে পারে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১০ বছরের মধ্যে (২০৩৫-২০৩৬ অর্থবছর পর্যন্ত) পরিশোধের শর্তে পরিচালিত হবে।প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি যুদ্ধবিমানের মূল্য প্রাক্কলিত করা হয়েছে ৬ কোটি ডলার। ২০টি বিমানের মূল ক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ১২০ কোটি ডলার (প্রায় ১৪,৭৬০ কোটি টাকা)। স্থানীয় ও বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় ও পরিবহন বাবদ ৮২ কোটি ডলার (প্রায় ১০,৮৬০ কোটি টাকা) এবং বীমা, ভ্যাট, কমিশনসহ অন্যান্য খরচ যুক্ত হয়ে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ২২০ কোটি ডলার।চলতি বছরের মার্চে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন সফরে গেলে এ প্রস্তাব নিয়ে চীনা পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়। পরে, বিমানবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়, যারা চুক্তির খসড়া, জি-টু-জি পদ্ধতির উপযোগিতা, মূল্য ও পেমেন্ট শর্ত পর্যালোচনা করবে।চুক্তিতে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ, খুচরা যন্ত্রাংশ ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানা গেছে।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল এ. এন. এম. মনিরুজ্জামান (অব.) বলেন,> “বিমানবাহিনীর অনেকদিন ধরেই জঙ্গিবিমানের দাবি রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে সবার আগে প্রভাব বিশ্লেষণ করা জরুরি—বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের উত্তেজনার প্রেক্ষিতে।”তিনি আরও বলেন, “উপযুক্ত প্রয়োজন ও কৌশলগত বিবেচনার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।”সম্প্রতি পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সংঘর্ষে জে-১০সি যুদ্ধবিমান ব্যবহারের দাবি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। পাকিস্তান দাবি করে, তারা ভারতের রাফায়েল ফাইটার ধ্বংসে জে-১০সি ব্যবহার করেছে, যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বহরে ২১২টি বিমান, যার মধ্যে ৪৪টি ফাইটার জেট রয়েছে। এর মধ্যে ৩৬টি চীনা নির্মিত এফ–৭, ৮টি মিগ-২৯, এবং কিছু ইয়াক–১৩০ লাইট অ্যাটাক বিমান রয়েছে।নতুন জে-১০সি সিরিজের সংযোজন বিমান বাহিনীর আধুনিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।