ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিলেটের জকিগঞ্জে ১০,২০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার জকিগঞ্জ বাজার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মাহে রামাদ্বান উপলক্ষে জেডএসসি ক্বিরাত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা সিজন-৬ শুরু মুফতি আবুল হাসান: ‘আমার কোনো পাতিনেতা থাকবে না’ জকিগঞ্জে বিআরটিসি বাস ইস্যু: কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে জকিগঞ্জের তরুণ-তরুণীদের পদায়ন সিলেট ০৫ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সিলেট জেলার (সিনিয়র সহ-মুখপাত্র) প্রতিহিংসা পরিহার করে নির্বাচনকে উৎসব মুখর করার আহবান – ছাত্রদলের সদস্য সচিবের শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার জকিগঞ্জে আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার: পরিচয় মিলেছে সুনামগঞ্জের লন্ডনপ্রবাসী বুরহান উদ্দিন শফি

নতুন ভাইরাস ডিঙ্গা ডিঙ্গার সংক্রমণ, লক্ষণ ও প্রতিকার কী?

  • আপডেট সময় : ০৯:১২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ সংগৃহীত

করোনার পর নতুন এক ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়েছে। অদ্ভুত নামের ভাইরাসটি বর্তমান সময়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নতুন এই ভাইরাসের নাম ডিঙ্গা ডিঙ্গা।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এ ভাইরাসে আক্রাক্ত হচ্ছেন আফ্রিকার দেশ উগান্ডার বুন্ডিবুগিও জেলার মানুষরা। নারী ও কিশোরীরাই মূলত এ ভাইরাসে আক্রাক্ত হচ্ছেন। প্রায় ৩০০ জন এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ভাইরাসে আক্রান্তদের জ্বর এবং অত্যধিক শরীর কাঁপুনি হচ্ছে। এ কারণেই ভাইরাসটির নাম ডিঙ্গা ডিঙ্গা।

জি নিউজে বলা হয়েছে, ডিঙ্গা ডিঙ্গা শব্দটির অর্থ নাচের মতো কাঁপা। স্থানীয় চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এর কারণ ও প্রতিকারের উপায় বের করার চেষ্টা করছেন। কীভাবে এবং কেন এ রোগ ছড়াচ্ছে তা এখনো জানা যায়নি।

ডিঙ্গা ডিঙ্গায় আক্রান্তের লক্ষণ :

ডিঙ্গা ডিঙ্গায় আক্রান্ত হলে রোগীর শরীরে অত্যধিক কাঁপুনি হতে থাকে। অনিয়ন্ত্রিত কাঁপুনি এ ভাইরাসে আক্রান্তের অন্যতম লক্ষণ। একইসঙ্গে জ্বর, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, সারা শরীরে ব্যথার মতো লক্ষণও দেখা দিতে পারে। মাথা ব্যথাও করে।

ডিঙ্গা ডিঙ্গায় আক্রান্তের শ্বাসকষ্ট হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি খুব দুর্বল হয়ে পড়ে। এমনকি অবস্থা ভয়াবহ হলে দেহ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।

প্রতিকার :

বুন্ডিবুগিও জেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কিয়িটা ক্রিস্টোফার জানিয়েছেন, ডিঙ্গা ডিঙ্গা রোগের চিকিৎসায় বর্তমানে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য দলগুলো এ চিকিৎসা প্রদান করছে। এই রোগে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরও বলেন, এই রোগের চিকিৎসায় ভেষজ ওষুধ এখনো কার্যকর প্রমাণিত হয়নি। সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সাধারণত রোগীরা এক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, যদি এই রোগের লক্ষণ দেখতে পান তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। চিকিৎসা নিলে দ্রুত সময়ে সুস্থ হওয়া সম্ভব।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সিলেটের জকিগঞ্জে ১০,২০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার

নতুন ভাইরাস ডিঙ্গা ডিঙ্গার সংক্রমণ, লক্ষণ ও প্রতিকার কী?

আপডেট সময় : ০৯:১২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

করোনার পর নতুন এক ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়েছে। অদ্ভুত নামের ভাইরাসটি বর্তমান সময়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নতুন এই ভাইরাসের নাম ডিঙ্গা ডিঙ্গা।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এ ভাইরাসে আক্রাক্ত হচ্ছেন আফ্রিকার দেশ উগান্ডার বুন্ডিবুগিও জেলার মানুষরা। নারী ও কিশোরীরাই মূলত এ ভাইরাসে আক্রাক্ত হচ্ছেন। প্রায় ৩০০ জন এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ভাইরাসে আক্রান্তদের জ্বর এবং অত্যধিক শরীর কাঁপুনি হচ্ছে। এ কারণেই ভাইরাসটির নাম ডিঙ্গা ডিঙ্গা।

জি নিউজে বলা হয়েছে, ডিঙ্গা ডিঙ্গা শব্দটির অর্থ নাচের মতো কাঁপা। স্থানীয় চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এর কারণ ও প্রতিকারের উপায় বের করার চেষ্টা করছেন। কীভাবে এবং কেন এ রোগ ছড়াচ্ছে তা এখনো জানা যায়নি।

ডিঙ্গা ডিঙ্গায় আক্রান্তের লক্ষণ :

ডিঙ্গা ডিঙ্গায় আক্রান্ত হলে রোগীর শরীরে অত্যধিক কাঁপুনি হতে থাকে। অনিয়ন্ত্রিত কাঁপুনি এ ভাইরাসে আক্রান্তের অন্যতম লক্ষণ। একইসঙ্গে জ্বর, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, সারা শরীরে ব্যথার মতো লক্ষণও দেখা দিতে পারে। মাথা ব্যথাও করে।

ডিঙ্গা ডিঙ্গায় আক্রান্তের শ্বাসকষ্ট হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি খুব দুর্বল হয়ে পড়ে। এমনকি অবস্থা ভয়াবহ হলে দেহ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।

প্রতিকার :

বুন্ডিবুগিও জেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কিয়িটা ক্রিস্টোফার জানিয়েছেন, ডিঙ্গা ডিঙ্গা রোগের চিকিৎসায় বর্তমানে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য দলগুলো এ চিকিৎসা প্রদান করছে। এই রোগে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরও বলেন, এই রোগের চিকিৎসায় ভেষজ ওষুধ এখনো কার্যকর প্রমাণিত হয়নি। সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সাধারণত রোগীরা এক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, যদি এই রোগের লক্ষণ দেখতে পান তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। চিকিৎসা নিলে দ্রুত সময়ে সুস্থ হওয়া সম্ভব।

কেকে