ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জকিগঞ্জ বাজার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মাহে রামাদ্বান উপলক্ষে জেডএসসি ক্বিরাত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা সিজন-৬ শুরু মুফতি আবুল হাসান: ‘আমার কোনো পাতিনেতা থাকবে না’ জকিগঞ্জে বিআরটিসি বাস ইস্যু: কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে জকিগঞ্জের তরুণ-তরুণীদের পদায়ন সিলেট ০৫ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সিলেট জেলার (সিনিয়র সহ-মুখপাত্র) প্রতিহিংসা পরিহার করে নির্বাচনকে উৎসব মুখর করার আহবান – ছাত্রদলের সদস্য সচিবের শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার জকিগঞ্জে আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার: পরিচয় মিলেছে সুনামগঞ্জের লন্ডনপ্রবাসী বুরহান উদ্দিন শফি জকিগঞ্জের কৃতী সন্তান এ.জি.এম প্রিন্স সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজসহ দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে উজ্জ্বল সাফল্য!

ইসকনের নেতা চিন্ময় দাসকে শ্যোন অ্যারেস্ট করার দাবি আইনজীবী সমিতির

  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ সংগৃহীত

সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে হত্যা মামলাসহ অন্য মামলায় অন্যতম আসামি হিসেবে শ্যোন অ্যারেস্ট করার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা। একই সঙ্গে চিন্ময় দাসের পক্ষে কোনো আইনজীবীকে আদালতে আইনি লড়াইয়ে না দাঁড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি ও সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরা হয়। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত ইসকনের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারসহ ১১ দফা দাবিও তুলে ধরেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন রাজ্জাক। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী।

লিখিত বক্তেব্যে সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে উগ্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইসকনের অনুসারীরা নির্মমভাবে কুপিয়ে, লাঠিপেঠা করে নির্মমভাবে হত্যা করে। তার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরও তার প্রাণহীন দেহের উপর পৈশাচিকভাবে আঘাত করতে থাকে। এমন নজিরবিহীন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড বিভিন্ন মিডিয়া ও আপনাদের মাধ্যমে সারাবিশ্ব ও বাংলাদেশের জনগণ অবলোকন করেন। বিশ্ববাসী স্তব্ধ, বাকরুদ্ধ ও হতবাক হয়ে যান।

জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে ১১টি দাবি তুলে ধরে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত যেসব ইসকনের সন্ত্রাসী এখনও গ্রেফতার হয়নি তাদেরকে গ্রেফতার করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। মসজিদ, আইনজীবীদের চেম্বার, গাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে হত্যা মামলাসহ অন্যান্য মামলাসমূহে অন্যতম আসামি হিসেবে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাতে হবে। হত্যাকাণ্ডে করা মামলাসমূহের চার্জশিট দিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা করতে হবে, ঘটনার দিন আদালত এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিষ্ক্রিয়তার বিষয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

আইনজীবী সাইফুল হত্যা মামলায় চিন্ময় দাসসহ আসামি পক্ষে কোনো আইনজীবীকে না দাঁড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, শহিদ অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যাকারীদের পক্ষে কোনো আইনজীবীকে মামলা পরিচালনা না করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি তো বলিনি বাইরে থেকে আইনজীবী এনে ডিফেন্স করতে পারবে না। তবে হত্যা মামলার একটি নিয়ম আছে। হত্যা মামলার কোর্ট যখন চলবে তখন কোর্ট নিজেই একজন আইনজীবী নিয়োগ করবেন আসামিপক্ষে। এটাকে স্টেট ডিফেন্স বলে। যিনি মারা গেছেন তিনি আমাদের সমিতির সদস্য, তাই আমরা মনে করি তার রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আসামিপক্ষে দাঁড়িয়ে কেউ আসামি নির্দোষ এটা যেন না বলে সেই অনুরোধ করেছি। তবে আইনজীবী থাকবেন না এমনটা বলিনি।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জকিগঞ্জ বাজার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ইসকনের নেতা চিন্ময় দাসকে শ্যোন অ্যারেস্ট করার দাবি আইনজীবী সমিতির

আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে হত্যা মামলাসহ অন্য মামলায় অন্যতম আসামি হিসেবে শ্যোন অ্যারেস্ট করার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা। একই সঙ্গে চিন্ময় দাসের পক্ষে কোনো আইনজীবীকে আদালতে আইনি লড়াইয়ে না দাঁড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি ও সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরা হয়। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত ইসকনের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারসহ ১১ দফা দাবিও তুলে ধরেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন রাজ্জাক। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী।

লিখিত বক্তেব্যে সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে উগ্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইসকনের অনুসারীরা নির্মমভাবে কুপিয়ে, লাঠিপেঠা করে নির্মমভাবে হত্যা করে। তার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরও তার প্রাণহীন দেহের উপর পৈশাচিকভাবে আঘাত করতে থাকে। এমন নজিরবিহীন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড বিভিন্ন মিডিয়া ও আপনাদের মাধ্যমে সারাবিশ্ব ও বাংলাদেশের জনগণ অবলোকন করেন। বিশ্ববাসী স্তব্ধ, বাকরুদ্ধ ও হতবাক হয়ে যান।

জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে ১১টি দাবি তুলে ধরে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত যেসব ইসকনের সন্ত্রাসী এখনও গ্রেফতার হয়নি তাদেরকে গ্রেফতার করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। মসজিদ, আইনজীবীদের চেম্বার, গাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে হত্যা মামলাসহ অন্যান্য মামলাসমূহে অন্যতম আসামি হিসেবে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাতে হবে। হত্যাকাণ্ডে করা মামলাসমূহের চার্জশিট দিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা করতে হবে, ঘটনার দিন আদালত এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিষ্ক্রিয়তার বিষয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

আইনজীবী সাইফুল হত্যা মামলায় চিন্ময় দাসসহ আসামি পক্ষে কোনো আইনজীবীকে না দাঁড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, শহিদ অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যাকারীদের পক্ষে কোনো আইনজীবীকে মামলা পরিচালনা না করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি তো বলিনি বাইরে থেকে আইনজীবী এনে ডিফেন্স করতে পারবে না। তবে হত্যা মামলার একটি নিয়ম আছে। হত্যা মামলার কোর্ট যখন চলবে তখন কোর্ট নিজেই একজন আইনজীবী নিয়োগ করবেন আসামিপক্ষে। এটাকে স্টেট ডিফেন্স বলে। যিনি মারা গেছেন তিনি আমাদের সমিতির সদস্য, তাই আমরা মনে করি তার রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আসামিপক্ষে দাঁড়িয়ে কেউ আসামি নির্দোষ এটা যেন না বলে সেই অনুরোধ করেছি। তবে আইনজীবী থাকবেন না এমনটা বলিনি।

কেকে