ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাল উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়া হচ্ছে শরীফ ওসমান হাদীকে কালিগঞ্জ বাজারে নেশাগ্রস্ত যুবক আটক, মোবাইল কোর্টে ৬ মাসের কারাদণ্ড বুধবার বা বৃহস্পতিবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা : ইসি মাছউদ এনসিপি সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক আফজাল, সদস্য সচিব কিবরিয়া, যুগ্ম সদস্য সচিব লুবনা দেশের বাজারে নির্ধারণ করা হলো ভোজ্যতেলের দাম মধ্যরাত বা সকালের মধ্যে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দিতে পারেন খালেদা জিয়া রাস্তায় ফেলে যাওয়া নবজাতককে সারা রাত পাহারা দিল একদল কুকুর জকিগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিদায় সংবর্ধনা জকিগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের রিজাল্ট শিট। বিরশ্রী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন আব্দুল জলিল

মূল্যস্ফীতি নভেম্বরে আরও বেড়েছে

  • আপডেট সময় : ১০:০৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ সংগৃহীত

মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে বারবার সুদের হার বাড়ানো হলেও সুফল মিলছে না নিত্যপণ্যের বাজারে; চড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি নভেম্বরে আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশে। আগের মাসে এই হার ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

তার মানে ২০২৩ সালের নভেম্বরে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা এ বছরের নভেম্বরে কিনতে ব্যয় করতে হয়েছে ১১১ টাকা ৩৮ পয়সা।

পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতির এ হার চলতি অর্থবছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সবশেষ হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।

বিবিএসের হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বাড়ার পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য।

আগের মাসের তুলনায় খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ১৪ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশে। অক্টোবরে এই হার ছিল ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে নভেম্বরে হয়েছে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ; যা অক্টোবরে ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

নানা কারণে বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে গিয়ে ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে ঠেকে, যা আগস্টে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে নেমেছিল। সেপ্টেম্বরে তা আরও কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে দাঁড়ায়।

এরপর ২ দশমিক ০৭ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশে। পরের মাসে দশমিক ৫১ শতাংশ পয়েন্ট আরও বেড়ে যাওয়ায় কষ্ট বেড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষের।

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শহর, গ্রাম- সবখানেই। শহরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৭ শতাংশ; যা এক মাস আগেও ছিল ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

আর গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৫৩ শতাংশে; যা অক্টোবরে ছিল ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কাল উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়া হচ্ছে শরীফ ওসমান হাদীকে

মূল্যস্ফীতি নভেম্বরে আরও বেড়েছে

আপডেট সময় : ১০:০৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪

মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে বারবার সুদের হার বাড়ানো হলেও সুফল মিলছে না নিত্যপণ্যের বাজারে; চড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি নভেম্বরে আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশে। আগের মাসে এই হার ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

তার মানে ২০২৩ সালের নভেম্বরে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা এ বছরের নভেম্বরে কিনতে ব্যয় করতে হয়েছে ১১১ টাকা ৩৮ পয়সা।

পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতির এ হার চলতি অর্থবছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সবশেষ হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।

বিবিএসের হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বাড়ার পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য।

আগের মাসের তুলনায় খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ১৪ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশে। অক্টোবরে এই হার ছিল ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে নভেম্বরে হয়েছে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ; যা অক্টোবরে ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

নানা কারণে বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে গিয়ে ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে ঠেকে, যা আগস্টে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে নেমেছিল। সেপ্টেম্বরে তা আরও কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে দাঁড়ায়।

এরপর ২ দশমিক ০৭ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশে। পরের মাসে দশমিক ৫১ শতাংশ পয়েন্ট আরও বেড়ে যাওয়ায় কষ্ট বেড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষের।

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শহর, গ্রাম- সবখানেই। শহরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৭ শতাংশ; যা এক মাস আগেও ছিল ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

আর গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৫৩ শতাংশে; যা অক্টোবরে ছিল ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ।

কেকে