ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাল উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়া হচ্ছে শরীফ ওসমান হাদীকে কালিগঞ্জ বাজারে নেশাগ্রস্ত যুবক আটক, মোবাইল কোর্টে ৬ মাসের কারাদণ্ড বুধবার বা বৃহস্পতিবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা : ইসি মাছউদ এনসিপি সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক আফজাল, সদস্য সচিব কিবরিয়া, যুগ্ম সদস্য সচিব লুবনা দেশের বাজারে নির্ধারণ করা হলো ভোজ্যতেলের দাম মধ্যরাত বা সকালের মধ্যে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দিতে পারেন খালেদা জিয়া রাস্তায় ফেলে যাওয়া নবজাতককে সারা রাত পাহারা দিল একদল কুকুর জকিগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিদায় সংবর্ধনা জকিগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের রিজাল্ট শিট। বিরশ্রী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন আব্দুল জলিল

রংপুরে দীর্ঘ সাত বছর অপেক্ষার পরেও দেখতে পেল না নিজ সন্তানের মুখ

  • জনতা টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

রংপুরে দীর্ঘ সাত বছর অপেক্ষার পরেও দেখতে পেল না নিজ সন্তানের মুখ

প্রবাসী স্বামীর ৯ বছরের জমানো অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকার হাত ধরে নাছরিন নামে এক গৃহবধূ উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নাছরিন মিঠাপুকুর  উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের হয়বতপুর  গ্রামের রেজাউল ইসলামের  স্ত্রী। তাদের রাইশা নামের  একটি কন্যা সন্তান রয়েছে ।

প্রবাস জীবনের সকল আয়ের টাকা পাঠান তার স্ত্রীকে কাছে। অপরদিকে স্বামী বিদেশ থাকাবস্থায় অজ্ঞাত কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তার হাত ধরে পালিয়ে সন্তান রাইশা সহ পালিয়ে যান নাছরিন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিচার-সালিস, অভিযোগ করেও কোন খোঁজ-খবর ও দেখা মিলেনি সন্তান রাইশার সঙ্গে।

এ ব্যাপারে রেজাউলের মা রুপালী বেগম বাদী
হয়ে মিঠাপুকুর  থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ বছর পূর্বে রেজাউল  বিয়ে করেন পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের হযরতপুর গ্রামের জাইদুল হকের মেয়ে নাছরিনকে। বিয়ের পর এক সন্তানের জনক হন রেজাউল ইসলাম । গত ৯ বছব পূর্বে ৪ মাস বয়সি মেয়ে রাইশাকে রেখে মালয়েশিয়ায় যান রেজাউল ইসলাম।  প্রবাস জীবনের সকল আয় করা  টাকা তার স্ত্রীকে দেন। অপরদিকে স্বামী বিদেশ থাকাবস্থায় অজ্ঞাত কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তার হাত ধরে পালিয়ে সন্তান সহ পালিয়ে যান নাছরিন।

খবর পেয়ে রেজাউল ইসলাম  মালয়েশিয়া থেকে বাড়িতে আসেন। কয়েক বছর ধরে তিনি মেয়ে রাইশাকে এক নজর দেখতে বাংলাদেশের সবখানে খুজে ফিরে অবশেষে না পেয়ে আবারো মালয়েশিয়া ফিরে যান।

রেজাউলের বাবা মিজানুর রহমান কান্যা জড়িত কন্ঠে বলেন, দেনদরবার করে টাকা পয়সা স্বর্ণাঅলংকার সব ফেরত দিতে চেয়েছিলেন নাছরিনের পরিবার। পরে দিতে অস্বিকৃতি জানিয়েছেন। আমাদের টাকা পয়সা দরকার নাই। আমার নাতনির এখন সাত বছর বয়স হয়েছে।আমরা তাকে ভালো পরিবেশে রাখতে  আইনগত অভিভাবক হতে চাই। কিন্তু আজ পর্যন্ত জানি না আমার নাতনি বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে। নাছরিনের পরিবার আমাদের কখনও মোবাইল নাম্বার কিংবা ঠিকানা দিচ্ছেন না।

মোঃ মশিউর রহমান ইসাদ

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কাল উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়া হচ্ছে শরীফ ওসমান হাদীকে

রংপুরে দীর্ঘ সাত বছর অপেক্ষার পরেও দেখতে পেল না নিজ সন্তানের মুখ

আপডেট সময় : ০১:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪

প্রবাসী স্বামীর ৯ বছরের জমানো অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকার হাত ধরে নাছরিন নামে এক গৃহবধূ উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নাছরিন মিঠাপুকুর  উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের হয়বতপুর  গ্রামের রেজাউল ইসলামের  স্ত্রী। তাদের রাইশা নামের  একটি কন্যা সন্তান রয়েছে ।

প্রবাস জীবনের সকল আয়ের টাকা পাঠান তার স্ত্রীকে কাছে। অপরদিকে স্বামী বিদেশ থাকাবস্থায় অজ্ঞাত কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তার হাত ধরে পালিয়ে সন্তান রাইশা সহ পালিয়ে যান নাছরিন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিচার-সালিস, অভিযোগ করেও কোন খোঁজ-খবর ও দেখা মিলেনি সন্তান রাইশার সঙ্গে।

এ ব্যাপারে রেজাউলের মা রুপালী বেগম বাদী
হয়ে মিঠাপুকুর  থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ বছর পূর্বে রেজাউল  বিয়ে করেন পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের হযরতপুর গ্রামের জাইদুল হকের মেয়ে নাছরিনকে। বিয়ের পর এক সন্তানের জনক হন রেজাউল ইসলাম । গত ৯ বছব পূর্বে ৪ মাস বয়সি মেয়ে রাইশাকে রেখে মালয়েশিয়ায় যান রেজাউল ইসলাম।  প্রবাস জীবনের সকল আয় করা  টাকা তার স্ত্রীকে দেন। অপরদিকে স্বামী বিদেশ থাকাবস্থায় অজ্ঞাত কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তার হাত ধরে পালিয়ে সন্তান সহ পালিয়ে যান নাছরিন।

খবর পেয়ে রেজাউল ইসলাম  মালয়েশিয়া থেকে বাড়িতে আসেন। কয়েক বছর ধরে তিনি মেয়ে রাইশাকে এক নজর দেখতে বাংলাদেশের সবখানে খুজে ফিরে অবশেষে না পেয়ে আবারো মালয়েশিয়া ফিরে যান।

রেজাউলের বাবা মিজানুর রহমান কান্যা জড়িত কন্ঠে বলেন, দেনদরবার করে টাকা পয়সা স্বর্ণাঅলংকার সব ফেরত দিতে চেয়েছিলেন নাছরিনের পরিবার। পরে দিতে অস্বিকৃতি জানিয়েছেন। আমাদের টাকা পয়সা দরকার নাই। আমার নাতনির এখন সাত বছর বয়স হয়েছে।আমরা তাকে ভালো পরিবেশে রাখতে  আইনগত অভিভাবক হতে চাই। কিন্তু আজ পর্যন্ত জানি না আমার নাতনি বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে। নাছরিনের পরিবার আমাদের কখনও মোবাইল নাম্বার কিংবা ঠিকানা দিচ্ছেন না।

মোঃ মশিউর রহমান ইসাদ