ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জকিগঞ্জ বাজার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মাহে রামাদ্বান উপলক্ষে জেডএসসি ক্বিরাত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা সিজন-৬ শুরু মুফতি আবুল হাসান: ‘আমার কোনো পাতিনেতা থাকবে না’ জকিগঞ্জে বিআরটিসি বাস ইস্যু: কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে জকিগঞ্জের তরুণ-তরুণীদের পদায়ন সিলেট ০৫ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সিলেট জেলার (সিনিয়র সহ-মুখপাত্র) প্রতিহিংসা পরিহার করে নির্বাচনকে উৎসব মুখর করার আহবান – ছাত্রদলের সদস্য সচিবের শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার জকিগঞ্জে আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার: পরিচয় মিলেছে সুনামগঞ্জের লন্ডনপ্রবাসী বুরহান উদ্দিন শফি জকিগঞ্জের কৃতী সন্তান এ.জি.এম প্রিন্স সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজসহ দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে উজ্জ্বল সাফল্য!

সরকারের নির্ধারিত দামে কেন ডিম বিক্রি হচ্ছে না?

  • জনতা টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ সংগৃহীত

পাইকারী ও আড়ত পর্যায় থেকে খুচরা দোকানি পর্যন্ত ইচ্ছেমতো দামেই বিক্রি ডিম বিক্রি করছেন। একইসঙ্গে পাহাড়তলী ডিমের বাজারের অধিকাংশ আড়ত তৃতীয়দিনের মত বন্ধ রেখেছেন সেখানের ব্যবসায়ীরা।

ডিম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরকার নির্ধারিত দামে তারা ডিম সংগ্রহ করতে পারছেন না, তাই তারা বন্ধ রেখেছে দোকান। ডিমের দামের ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ ভোক্তারা।

সরকার খুচরায় ১১ টাকা ৮৭ পয়সা, পাইকারিতে ১১ টাকা ১ পয়সা ও উৎপাদক পর্যায়ে ১০ টাকা ৯১ পয়সা ডিমের দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও বুধবার চট্টগ্রামের কোনো বাজারে এ দামে বেচাকেনা হয়নি। বরং নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় চলে গেছে চট্টগ্রামের ডিমের বাজার। চট্টগ্রামে সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার পাহাড়তলীতে। সেখানে সরকার নির্ধারিত দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে না। অধিকাংশ আড়তই বন্ধ।

তবে হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে বিক্রি হলেও দাম বেশি, প্রতিটি আড়তে একশ ডিম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৮০ টাকায়। তারা জানিয়েছে তাদের ক্রয়মূল্য ১ হাজার ২২০ টাকা। শ্রমিক খরচ, পণ্য সরবরাহে ব্যয় এবং লাভসহ তারা অল্প দামেই বিক্রি করছেন দাবি ব্যবসায়ীদের। কিন্তু এ দামে ডিম কিনে ঠিক কত দামে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে তা কোনোভাবেই বুঝা যাচ্ছে না। কারণ নগরীর খুচরা দোকানে ডিম নেই; যাদের মজুত আছে, তারাও বিক্রি করছেন একেক দরে।

এদিকে পাহাড়তলী বাজারের এক পাইকার জানান, সরকার কাদের সঙ্গে আলোচনা করে ডিমের দাম নির্ধারণ করেছেন তা জানি না। তবে সোজা কথা হল ডিমের ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিতদের সঙ্গে আলাপ করেই তো দাম ঠিক করা উচিত ছিল। কিন্তু সেসব না করে সরকার দাম চাপিয়ে দিয়েছে, ফলে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। নতুন করে ডিম সরবরাহ হয়নি। যা ছিল তা দিয়েই কয়েকদিন চললেও বৃহস্পতিবার থেকে বেশিরভাগ বাজারে ডিম পাবেন না ক্রেতারা। কারণ পাহাড়তলী বাজারের বেশিরভাগ দোকান বন্ধ।

নিহাদ সাজিদ

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জকিগঞ্জ বাজার ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সরকারের নির্ধারিত দামে কেন ডিম বিক্রি হচ্ছে না?

আপডেট সময় : ০১:০৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

পাইকারী ও আড়ত পর্যায় থেকে খুচরা দোকানি পর্যন্ত ইচ্ছেমতো দামেই বিক্রি ডিম বিক্রি করছেন। একইসঙ্গে পাহাড়তলী ডিমের বাজারের অধিকাংশ আড়ত তৃতীয়দিনের মত বন্ধ রেখেছেন সেখানের ব্যবসায়ীরা।

ডিম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরকার নির্ধারিত দামে তারা ডিম সংগ্রহ করতে পারছেন না, তাই তারা বন্ধ রেখেছে দোকান। ডিমের দামের ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ ভোক্তারা।

সরকার খুচরায় ১১ টাকা ৮৭ পয়সা, পাইকারিতে ১১ টাকা ১ পয়সা ও উৎপাদক পর্যায়ে ১০ টাকা ৯১ পয়সা ডিমের দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও বুধবার চট্টগ্রামের কোনো বাজারে এ দামে বেচাকেনা হয়নি। বরং নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় চলে গেছে চট্টগ্রামের ডিমের বাজার। চট্টগ্রামে সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার পাহাড়তলীতে। সেখানে সরকার নির্ধারিত দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে না। অধিকাংশ আড়তই বন্ধ।

তবে হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে বিক্রি হলেও দাম বেশি, প্রতিটি আড়তে একশ ডিম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৮০ টাকায়। তারা জানিয়েছে তাদের ক্রয়মূল্য ১ হাজার ২২০ টাকা। শ্রমিক খরচ, পণ্য সরবরাহে ব্যয় এবং লাভসহ তারা অল্প দামেই বিক্রি করছেন দাবি ব্যবসায়ীদের। কিন্তু এ দামে ডিম কিনে ঠিক কত দামে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে তা কোনোভাবেই বুঝা যাচ্ছে না। কারণ নগরীর খুচরা দোকানে ডিম নেই; যাদের মজুত আছে, তারাও বিক্রি করছেন একেক দরে।

এদিকে পাহাড়তলী বাজারের এক পাইকার জানান, সরকার কাদের সঙ্গে আলোচনা করে ডিমের দাম নির্ধারণ করেছেন তা জানি না। তবে সোজা কথা হল ডিমের ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিতদের সঙ্গে আলাপ করেই তো দাম ঠিক করা উচিত ছিল। কিন্তু সেসব না করে সরকার দাম চাপিয়ে দিয়েছে, ফলে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। নতুন করে ডিম সরবরাহ হয়নি। যা ছিল তা দিয়েই কয়েকদিন চললেও বৃহস্পতিবার থেকে বেশিরভাগ বাজারে ডিম পাবেন না ক্রেতারা। কারণ পাহাড়তলী বাজারের বেশিরভাগ দোকান বন্ধ।

নিহাদ সাজিদ